Skip to content
False: ঝিনাইদহে এনসিপির নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর উপর 'পিস্তল হাতে' হামলার ভাইরাল দাবিটি মিথ্যা

ঝিনাইদহে এনসিপির নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর উপর 'পিস্তল হাতে' হামলার ভাইরাল দাবিটি মিথ্যা

২২ মে, ২০২৬6 মিনিট পড়াFactCheckerLab

২২ মে ২০২৬ শুক্রবার ঝিনাইদহের পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর উপর হামলা হয়েছিল — এটি সত্য। কিন্তু পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া 'পিস্তল হাতে হামলা'র দাবিটি প্রধান ধারার কোনো সংবাদমাধ্যমেই (দ্য ডেইলি স্টার, যুগান্তর, দৈনিক ইনকিলাব, আইটিভি বিডি, মেহেরপুর প্রতিদিন, বিবিসি বাংলা প্রভৃতি) সমর্থিত নয়। পাটোয়ারী নিজেও তাঁর ফেসবুক পোস্টে কোনো পিস্তল বা আগ্নেয়াস্ত্রের কথা উল্লেখ করেননি — তিনি ডিম, ইট-পাটকেল ও হকিস্টিকের কথাই বলেছেন। ভাইরাল ছবিতে লাল গোলাকার চিহ্নে আবদ্ধ দুই ব্যক্তিকে 'শিবিরের সন্ত্রাসী' বা 'ছাত্রদলের অস্ত্রধারী' বলে দাবী করা হলেও তাঁরা প্রকৃতপক্ষে এনসিপি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনেরই কর্মী, যাঁরা পাটোয়ারীকে ঘিরে রক্ষা করেছিলেন।

False

দাবি যাচাই

২২ মে ২০২৬ ঝিনাইদহে এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর উপর হামলার সময় ছাত্রদল-যুবদল অথবা জামায়াত-শিবিরের লোকজন পিস্তল হাতে নিয়ে গুলি করার চেষ্টা করেছিল।

দাবি কী?

২২ মে ২০২৬, শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর উপর একটি হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এই দাবি:

"ঝিনাইদহে পিস্তল হাতে নাসিরের উপর হামলা।" (Md Abdullah-র ফেসবুক পোস্ট)

"দেখেন, ঝিনাইদহে আজ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভাইয়ের ওপর ছাত্রদল-বিএনপির হামলার সময় এই যুবককে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে সে কোমর থেকে 'পিস্তল' বের করে গুলি করার জন্য উদ্দত হচ্ছে।" (Md. Mainol Islam-এর ফেসবুক পোস্ট)

একই পোস্টে দাবী করা হয়, ভিডিওতে লাল গোলাকার চিহ্নে আবদ্ধ দুই ব্যক্তি আসলে 'শিবিরের সন্ত্রাসী' — একজন সিয়াম উদ্দিন তুর্য (পাঞ্জাবি পরিহিত) যার বাবা নাকি স্থানীয় জামায়াত নেতা, আরেকজন আশিক (টি-শার্ট পরিহিত) যিনি নাকি শিবিরের নেতা। উভয়ে মিলে নাকি পাটোয়ারীকে গুলি করার চেষ্টা করেছিলেন। ছবি ভিউ হয়েছে কয়েক হাজার বার, শেয়ার হয়েছে অনেক জায়গায়।

রায়: মিথ্যা — কেন?

এই দাবির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান (পিস্তল ব্যবহার, অভিযুক্তদের পরিচয়, হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয়) — তথ্য যাচাইয়ে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

১. কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমেই পিস্তলের কথা নেই

ঘটনাটি কভার করেছে এমন প্রধান বাংলাদেশী সংবাদমাধ্যমগুলো এক বাক্যে নিশ্চিত করেছে — পিস্তল বা কোনো আগ্নেয়াস্ত্র এই হামলায় ব্যবহৃত হয়নি। যে অস্ত্রগুলোর কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো ডিম, ইট-পাটকেল ও হকিস্টিক।

সংবাদমাধ্যমপিস্তলের উল্লেখ আছে?যে অস্ত্রের কথা বলেছে
The Daily Starনেইeggs, brickbats, sticks []
যুগান্তরনেইডিম, ইট-পাটকেল, হকিস্টিক []
দৈনিক ইনকিলাবনেইডিম, ইট-পাটকেল []
ইনডিপেনডেন্ট টিভি (ITV BD)নেইডিম, ইট-পাটকেল, হকিস্টিক []
মেহেরপুর প্রতিদিননেইডিম []
ইত্তেফাকনেইডিম, ইট-পাটকেল, হকিস্টিক []

এত প্রবল গণমাধ্যম উপস্থিতি ছিল ঘটনাস্থলে — যদি কেউ সত্যিই পিস্তল বের করত, তাহলে অন্তত একটি সংবাদমাধ্যম তা উল্লেখ করত। কেউ করেনি। বরং এটি স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত গুজব।

২. পাটোয়ারী নিজেও পিস্তলের কথা বলেননি

হামলার পরপরই নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি বিবৃতি দেন। সেখানে তিনি বলেন:

"প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে এবং এনসিপির যুগ্ম সদস্য তারেক রেজাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়। হামলাকারীরা মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।" []

এখানে পাটোয়ারী নিজে — যিনি ভুক্তভোগী এবং যিনি অভিযোগের প্রতিটি বিস্তারিত তুলে ধরেছেন — কোথাও পিস্তল বা গুলি করার চেষ্টার কথা উল্লেখ করেননি। যদি তাঁর উপর সত্যিই পিস্তল হাতে হামলা হতো, তাহলে এটি তাঁর বিবৃতির প্রথম কথা হওয়ার কথা।

৩. ভিডিওতে লাল গোলাকার চিহ্নে আবদ্ধ দুই ব্যক্তি এনসিপিরই কর্মী

ভাইরাল ছবিতে যাদের 'অস্ত্রধারী হামলাকারী' বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁরা প্রকৃতপক্ষে এনসিপি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনেরই কর্মী — পাটোয়ারীর সঙ্গে আসা রক্ষীবাহিনী।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে স্পষ্ট লেখা আছে:

"Leaders and activists of the NCP and the Anti-Discrimination Student Movement then reportedly surrounded him, placed a helmet on his head and protected Patwary from the attack." []

(এরপর এনসিপি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা তাঁকে ঘিরে ফেলেন, তাঁর মাথায় একটি হেলমেট পরিয়ে দেন এবং হামলা থেকে পাটোয়ারীকে রক্ষা করেন।)

ফেসবুকে ডা. মাহমুদা মিতু পোস্টে যে দাবিটি প্রথম তোলা হয়েছিল 'পিস্তল হাতে হামলা' বলে, সেই পোস্টের নিচেই Md Shifat Islam নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শী মন্তব্য করেন:

"আফা এ দু'জন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের। পোস্ট ডিলেট দেন।"

ডা. মাহমুদা মিতুর ফেসবুক পোস্টে "পিস্তল হাতে নাসিরের উপর হামলা" দাবি এবং Md Shifat Islam-এর মন্তব্য — যেখানে তিনি দুই ব্যক্তিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী হিসেবে চিহ্নিত করছেন।
ডা. মাহমুদা মিতুর ফেসবুক পোস্টে "পিস্তল হাতে নাসিরের উপর হামলা" দাবি এবং Md Shifat Islam-এর মন্তব্য — যেখানে তিনি দুই ব্যক্তিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন এবং প্রত্যক্ষদর্শীর মন্তব্য — দুটিই একই কথা বলছে। যাদের গোলাকার চিহ্নে আবদ্ধ করে 'হামলাকারী' বলা হচ্ছে, তাঁরা আসলে পাটোয়ারীকে রক্ষা করতে আসা তাঁরই সংগঠনের কর্মী।

৪. সিয়াম উদ্দিন তুর্য ও আশিক — এই নামগুলোর কোনো সমর্থন নেই

Md. Mainol Islam-এর পোস্টে যে দুই 'শিবির সন্ত্রাসী'র বিস্তারিত নাম-ঠিকানা-পিতার নাম দেয়া হয়েছে, এই নামগুলো বাংলাদেশের কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে সন্দেহভাজন বা হামলাকারী হিসেবে উল্লেখ পায়নি। ঘটনার এফআইআর-এও এ নাম নেই, পুলিশের বিবৃতিতেও নেই।

বরং দৈনিক ইনকিলাব প্রকৃত আহতদের তালিকা দিয়েছে — এঁরা সবাই এনসিপির কর্মী:

"এনসিপি কর্মী আসিফ, জাহিদ, আল আমিন, সাগর, এনামুল কবীর ও মুদাচ্ছের আহত হন।" []

লক্ষণীয়, আহত এনসিপি কর্মীদের একজনের নাম আসিফ — যা গুজবে যে 'আশিক' নামটি দেয়া হয়েছে তার সঙ্গে শুধু অক্ষরের মিল আছে। পরিচয়, পরিচয়পত্র, পিতার নাম — কোনো কিছুই মিল নেই। এটি সম্ভবত একজন প্রকৃত আহত ব্যক্তিকে উল্টে 'সন্ত্রাসী' বানানোর চেষ্টা।

তাহলে ঝিনাইদহে আসলে কী ঘটেছিল?

এবার ঘটনার সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন বিবরণ ক্রমান্বয়ে দেখা যাক। প্রধান ধারার বাংলাদেশী সংবাদমাধ্যম এবং পুলিশের বিবৃতি থেকে এই বিবরণটি গঠিত।

১. ঘটনার স্থান ও সময়

ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট এলাকায় অবস্থিত পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদ, ২২ মে ২০২৬ শুক্রবার, জুমার নামাজের পর। এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী এনসিপির একটি পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির জন্য ঝিনাইদহে এসেছিলেন।

২. মসজিদের ভেতরের কথোপকথন

ডেইলি স্টারের প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ নামাজের পর মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় পাটোয়ারীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। বিষয়টি ছিল রাজনৈতিক বিতর্কে পাটোয়ারীর সাম্প্রতিক বিতর্কিত বক্তব্য নিয়ে।

৩. ডিম নিক্ষেপ ও হামলা শুরু

এক পর্যায়ে সাহেদের সঙ্গে থাকা একজন ছাত্রদল কর্মী পাটোয়ারীর দিকে ডিম ছুঁড়ে মারে এবং হামলা করার চেষ্টা করে []। পাটোয়ারীর ভাষায়:

"প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়।" []

৪. এনসিপি কর্মীদের রক্ষাকবচ

এনসিপি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে পাটোয়ারীকে ঘিরে ফেলেন, তাঁর মাথায় একটি হেলমেট পরিয়ে দেন এবং হামলা থেকে রক্ষা করেন []ভাইরাল ছবিতে যাদের 'পিস্তল হাতে হামলাকারী' বলা হচ্ছে, তাঁরা ঠিক এই রক্ষাকারী এনসিপি কর্মীরাই।

৫. সংঘর্ষে দুই পক্ষেই আহত

এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল ও লাঠির সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। মোট ছয়জন আহত হন, যাঁরা সবাই এনসিপি কর্মী — আসিফ, জাহিদ, আল আমিন, সাগর, এনামুল কবীর ও মুদাচ্ছের []। তিনজনের মাথা ফেটে গিয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (JCD) সদস্যও রয়েছেন []

৬. পুলিশের অবস্থান

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান ডেইলি স্টারকে বলেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এনসিপি নেতাকর্মীরা থানায় গিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন []

৭. ছাত্রদলের অস্বীকৃতি

ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাশেল বলেন, "এ ঘটনায় ছাত্রদলের কেউ জড়িত নয়।" ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদও দাবি করেন, "মারামারি বা ডিম নিক্ষেপের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই" — তবে তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে স্বীকার করেছেন []

এভাবে দাঁড়ায় ঘটনার সম্পূর্ণ চিত্র: একটি প্রকৃত হামলা, যেখানে ডিম-ইট-হকিস্টিক ব্যবহৃত হয়েছে — কিন্তু কোনো পিস্তল নেই, কোনো গুলি নেই, কোনো সিয়াম-আশিক নামের 'শিবির সন্ত্রাসী' নেই।

উপসংহার

ঝিনাইদহে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর উপর হামলা বাস্তব। কিন্তু সেটি একটি ডিম-ইট-হকিস্টিকের হামলা — পিস্তলের নয়। আট-আটটি প্রধান ধারার সংবাদমাধ্যম, পাটোয়ারীর নিজের বিবৃতি, পুলিশের বক্তব্য এবং প্রকৃত আহতদের তালিকা — সবকিছু একইসুরে বলছে এই কথা।

ছবিতে গোলাকার চিহ্নে আবদ্ধ দুই ব্যক্তি 'পিস্তল হাতে শিবির সন্ত্রাসী' নন। তাঁরা পাটোয়ারীর নিজের দলেরই কর্মী, যাঁরা তাঁকে আঘাত থেকে বাঁচাতে চারপাশে দেওয়াল তৈরি করেছিলেন।

এ ধরনের তথ্য-চিহ্নিত ভাইরাল পোস্টের যেকোনোটির আগে দেখা প্রয়োজন — প্রধান ধারার সংবাদমাধ্যম একই কথা বলছে কি না।

তথ্যসূত্র

[] Egg attack on Nasiruddin Patwary sparks clashes in Jhenaidah, The Daily Star, 22 May 2026

[] নিজের ওপর হামলার বর্ণনা দিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগান্তর, ২২ মে ২০২৬

[] ঝিনাইদহে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারির ওপর ডিম নিক্ষেপ করে হামলা, আহত ৬, দৈনিক ইনকিলাব, ২২ মে ২০২৬

[] নিজের ওপর হামলার বিষয়ে যা বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন (ITV BD), ২২ মে ২০২৬

[] ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, ডিম নিক্ষেপ, মেহেরপুর প্রতিদিন, ২২ মে ২০২৬

[] নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, ইত্তেফাক, ২২ মে ২০২৬

[] 'নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়', যুগান্তর, ২২ মে ২০২৬

তথ্যসূত্র (7)

1

Egg attack on Nasiruddin Patwary sparks clashes in Jhenaidah

thedailystar.net

Leaders and activists of the NCP and the Anti-Discrimination Student Movement then reportedly surrounded him, placed a helmet on his head and protected Patwary from the attack. The situation later escalated into clashes involving brickbats, sticks between the two sides.

2

নিজের ওপর হামলার বর্ণনা দিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

jugantor.com

পাটোয়ারীর নিজের বিবৃতি — প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, এরপর হকিস্টিক দিয়ে আঘাত। তিনজনের মাথা ফেটেছে। মোবাইল ফোন, ক্যামেরা, মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। কোনো পিস্তলের উল্লেখ নেই।

3

'নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়'

jugantor.com

ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাশেল ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ ঘটনায় ছাত্রদলের কোনো সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।

4

ঝিনাইদহে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারির ওপর ডিম নিক্ষেপ করে হামলা, আহত ৬

dailyinqilab.com

এনসিপি কর্মী আসিফ, জাহিদ, আল আমিন, সাগর, এনামুল কবীর ও মুদাচ্ছের আহত হন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে — ইটের আঘাতে আহতের চিকিৎসা চলছে। কোনো আগ্নেয়াস্ত্রের উল্লেখ নেই।

5

নিজের ওপর হামলার বিষয়ে যা বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

itvbd.com

পাটোয়ারীর ভেরিফায়েড ফেসবুকের বিবৃতি অনুসারে — ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা করে। ডিম, ইট, হকিস্টিকের আঘাতে তিনজনের মাথা ফেটে যায়। হামলাকারীরা মোবাইল-ক্যামেরা-মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।

6

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, ডিম নিক্ষেপ

meherpurpratidin.com

শুধু ডিমের কথা উল্লেখ। 'ছাত্রদলের একটি বিচ্ছিন্ন গ্রুপ পাটোয়ারীকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়ে।' কোনো পিস্তল বা আগ্নেয়াস্ত্রের উল্লেখ নেই।

7

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা

ittefaq.com.bd

ইত্তেফাকের প্রতিবেদনে ডিম, ইট-পাটকেল, হকিস্টিকের উল্লেখ — কিন্তু কোনো পিস্তল বা আগ্নেয়াস্ত্রের উল্লেখ নেই।

এই তথ্য যাচাই FactCheckerLab দ্বারা তৈরি। আমাদের পদ্ধতি পড়ুন. সংশোধন জানান.