"বিগত দুটি সরকার যথাসময়ে হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে" বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দাবিটি বিভ্রান্তিকর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে শেখ হাসিনার সরকার এবং অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারকে একসঙ্গে "ক্ষমাহীন অপরাধ" করার অভিযোগ করেছেন। তথ্য যাচাই বলছে—দাবিটি বিভ্রান্তিকর। হাসিনার সরকার ২০১৪ সালে বিশ্বের সর্ববৃহৎ হাম–রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চালিয়েছিল, ২০১৮ সালে রুবেলা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য অর্জন করেছিল এবং ৮০–৯২% কাভারেজ বজায় রেখেছিল। জুন ২০২৪ সালের জন্য পরবর্তী এমআর ক্যাম্পেইনও নির্ধারণ করা ছিল, কিন্তু তা জুলাই এর রাজনৈতিক সংকটে স্থগিত হয়। টিকা কার্যক্রমের প্রকৃত পতন ঘটেছে ইউনূসের ১৮ মাসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে।
Misleading
দাবি যাচাই
বিগত দুটি সরকার যথাসময়ে হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে
দাবি কী?
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিল ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন—
"দেশব্যাপী শিশুদের হামের টিকা নিশ্চিত করতে গত অব্যবহিত দুই সরকারের জীবন-বিনাশী ব্যর্থতা ক্ষমাহীন অপরাধ বলে মনে হচ্ছে।"
তিনি এই বক্তব্যে পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকার (২০০৯–আগস্ট ২০২৪) এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার (আগস্ট ২০২৪–ফেব্রুয়ারি ২০২৬)—দুই সরকারের দিকেই সমানভাবে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। বক্তব্যটি বিডিনিউজ২৪, সান বিডি ২৪, বাংলাভিশন এবং বিএসএস-সহ একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মার্চ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশে হামের মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে। ১৪ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত ৫৮টি জেলায় ১৮,২১৯ জন সন্দেহভাজন রোগী এবং ১৬৪ জন সন্দেহভাজন মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
রায়: বিভ্রান্তিকর — কেন?
দাবির যে অংশটি সত্য
২০২০ সালের পর বাংলাদেশে কোনো বিশেষ হাম–রুবেলা ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইন হয়নি—এটি সত্য [১][২]। হামের টিকার সরবরাহে ঘাটতি এবং রুটিন টিকাদানে গ্যাপ তৈরি হয়েছিল, যা ২০২৬ সালের প্রাদুর্ভাবের একটি কারণ।
দাবির যে অংশটি বিভ্রান্তিকর
১) শেখ হাসিনার সরকার হামের টিকা দিয়েছে—বিপুল পরিমাণে এবং ধারাবাহিকভাবে।
- ২৫ জানুয়ারি ২০১৪: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে গণভবনে বিশ্বের সর্ববৃহৎ হাম–রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। তিন সপ্তাহব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী ৫ কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়—যা এখন পর্যন্ত বৈশ্বিকভাবে পরিচালিত সর্ববৃহৎ এমআর ক্যাম্পেইন [৩][৪][৫]।
- ২০১৮: বাংলাদেশ রুবেলা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে—বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ভাষ্যমতে [৬]।
- জানুয়ারি ২০২০: কক্সবাজারের ৩১৫,০০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশুকে টিকা দিতে আলাদা এমআর ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয় [৭]।
- ২০২০: সারাদেশে ৩.৪ কোটি শিশুকে লক্ষ্য করে এমআর ক্যাম্পেইন চলমান ছিল—কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ব্যাহত হয় [১]।
- রুটিন কাভারেজ: ২০১৫ সালে এমসিভি১ ৯২%, এমসিভি২ ৮১%; ২০১৯ সালে এমআর১ ৮৮.৬%, এমআর২ ৮৯%; এমনকি ২০২৩ সালেও এমআর১ ৮৬.১%, এমআর২ ৮০.৭% বজায় ছিল [৮]।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরীর বক্তব্যে: "রুটিন টিকাদানের আওতায় পূর্বে প্রায় ৯৮% শিশু অন্তর্ভুক্ত ছিল" [৯]।
২) জুন ২০২৪-এর নির্ধারিত ক্যাম্পেইন অস্বীকারের ফল নয়—রাজনৈতিক সংকটের ফল।
শেখ হাসিনার সরকার পরবর্তী এমআর ক্যাম্পেইনটি জুন ২০২৪-এ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল [১০]। ২০২৩ সালে গ্যাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের কাছে তহবিল চেয়ে আবেদনও করেছিল। কিন্তু জুন ২০২৪ থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়, যা জুলাই-আগস্টে অসহযোগ আন্দোলনে রূপ নেয়। দেশব্যাপী এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সংকটের কারণে ক্যাম্পেইনটি স্থগিত রাখা হয় [১০][১১]। এটি সরকারের টিকাদান-অস্বীকার নয়—অপারেশনাল বাস্তবতার বাইরে একটি জাতীয় সংকট।
৩) প্রকৃত "ক্ষমাহীন" ব্যর্থতা ইউনূস সরকারের সময়ে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আগস্ট ২০২৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১৮ মাস ক্ষমতায় ছিল। তাদের হাতে ছিল—(ক) পূর্ববর্তী সরকারের পূর্ণাঙ্গ সেক্টর প্রোগ্রাম, (খ) ২০২৫ সালে গ্যাভির অনুমোদিত তহবিল, এবং (গ) ১৮ মাস সময়। তারপরও—
- মার্চ ২০২৫: বিদ্যমান সেক্টর প্রোগ্রাম (৬০% বৈদেশিক + ৪০% সরকারি তহবিলে পরিচালিত) প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই বাতিল করে দেয় [১২][১৩]।
- প্রোগ্রাম বাতিলের পর কোনো বিকল্প বৈদেশিক তহবিল সংগ্রহ বা পর্যাপ্ত দেশীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়নি [১২]।
- ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে প্রয়োজনীয় হাম–রুবেলা টিকা সরবরাহের মাত্র ২৭.৪৫% পূরণ হয়েছে—অর্থাৎ ৭২% চাহিদা অপূরণীয় ছিল [১২]।
- ইপিআই পরিচালক শাহরিয়ার সাজ্জাদের ভাষ্যে, ভ্যাকসিন ক্রয় উন্নয়ন বাজেট থেকে রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তর করায় তহবিল বিতরণ জটিল ও সময়সাপেক্ষ হয়েছে [১২]।
- স্বাস্থ্য খাতের ৩৪টিরও বেশি উন্নয়ন উদ্যোগ স্থবির হয়ে পড়ে [১২]।
- সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে [১২]।
- হাম টিকাদান ব্যবস্থা সরকারি নিয়ন্ত্রণ থেকে বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের "অবৈধ ও বিদ্বেষপূর্ণ" উদ্যোগের অভিযোগে ড. ইউনূস ও সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে বিদেশ যাত্রার নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে [১৪]।
৪) "দুই সরকারই সমানভাবে দায়ী"—এটি মিথ্যা সমতুল্যতা।
যে সরকার ১৫ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে এমআর টিকাদান কর্মসূচি চালিয়েছে, ২০১৮ সালে রুবেলা নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেছে এবং ২০২৪-এর ক্যাম্পেইনও নির্ধারণ করেছিল—তাকে সেই সরকারের সঙ্গে একই পাল্লায় মাপা, যারা চলমান সেক্টর প্রোগ্রামকেই বাতিল করে দিয়েছে—এটি রাজনৈতিক রেটোরিক, তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণ নয়।
তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ
হাসিনার সরকারের হাম–রুবেলা টিকাদানের ধারাবাহিকতা (২০০৯–আগস্ট ২০২৪)
| সাল | কার্যক্রম | উৎস |
|---|---|---|
| ২০১২ | এমআর ভ্যাকসিন চালু, দ্বিতীয় ডোজ ১৫ মাস বয়সে রুটিনে অন্তর্ভুক্ত | ডব্লিউএইচও [৬] |
| ২৫ জানু ২০১৪ | প্রধানমন্ত্রী হাসিনা গণভবনে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এমআর ক্যাম্পেইন উদ্বোধন—৫.২ কোটি শিশু | গ্যাভি, ডেইলি স্টার [৩][৪] |
| ২০১৫ | এমসিভি১ ৯২%, এমসিভি২ ৮১%; দ্বিতীয় ডোজ রুটিনে | ডব্লিউএইচও জেআরএফ [৮] |
| ২০১৮ | রুবেলা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন | ডব্লিউএইচও [৬] |
| ২০১৯ | এমআর১ ৮৮.৬%, এমআর২ ৮৯% | ডব্লিউএইচও [৮] |
| জানু ২০২০ | ৩১৫,০০০ রোহিঙ্গা শিশুকে টিকাদান কর্মসূচি | ডব্লিউএইচও [৭] |
| ২০২০ | ৩.৪ কোটি শিশুকে লক্ষ্য করে জাতীয় ক্যাম্পেইন—কোভিডে ব্যাহত | ডব্লিউএইচও [১] |
| ২০২৩ | এমআর১ ৮৬.১%, এমআর২ ৮০.৭%; গ্যাভির কাছে তহবিল আবেদন | কাভারেজ ইভ্যালুয়েশন সার্ভে [৮] |
| জুন ২০২৪ | পরবর্তী এমআর ক্যাম্পেইন নির্ধারিত—রাজনৈতিক সংকটে স্থগিত | গার্ডিয়ান, এএফপি [১০][১১] |
ইউনূস সরকারের টিকা কার্যক্রমের পতন (আগস্ট ২০২৪–ফেব্রুয়ারি ২০২৬)
| সময় | কী ঘটেছিল | উৎস |
|---|---|---|
| আগস্ট ২০২৪ | অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়—নির্ধারিত ক্যাম্পেইনসহ পূর্ণাঙ্গ সেক্টর প্রোগ্রাম উত্তরাধিকার সূত্রে পায় | আল জাজিরা |
| ২০২৫ | গ্যাভি এমআর ক্যাম্পেইন তহবিল অনুমোদন করে—ইউনূস সরকার পদক্ষেপ নেয়নি | ডন [১৫] |
| মার্চ ২০২৫ | সেক্টর প্রোগ্রাম প্রস্তুতি ছাড়াই বাতিল | বাংলা মিরর, ডেইলি সান [১২][১৩] |
| এরপর | বিকল্প তহবিল সংগ্রহ বা দেশীয় বরাদ্দ নিশ্চিত হয়নি | বাংলা মিরর [১২] |
| প্রথম ত্রৈমাসিক ২০২৬ | প্রয়োজনীয় এমআর ভ্যাকসিনের মাত্র ২৭.৪৫% সরবরাহ—৭২% অপূরণীয় | বাংলা মিরর [১২] |
| ২০২৬ | ড. ইউনূস ও সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন বেসরকারিকরণের "অবৈধ" চেষ্টার অভিযোগে আইনি নোটিশ | টিবিএস [১৪] |
উপসংহার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দাবিতে সত্যের উপাদান রয়েছে—হাম টিকাদানে সত্যিই ঘাটতি হয়েছে এবং ২০২০-এর পর কোনো বিশেষ এমআর ক্যাম্পেইন হয়নি। কিন্তু "বিগত দুটি সরকার" সমানভাবে দায়ী—এই কথা তথ্যসিদ্ধ নয়। শেখ হাসিনার সরকার বিশ্বের সর্ববৃহৎ এমআর ক্যাম্পেইন চালিয়েছে, রুবেলা নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেছে, ২০১৪–২০২৩ পর্যন্ত ৮০–৯২% কাভারেজ বজায় রেখেছে এবং জুন ২০২৪-এর ক্যাম্পেইনও নির্ধারণ করেছিল যা জুলাই এর রাজনৈতিক সংকটে স্থগিত হয়েছিল—অস্বীকার নয়। প্রকৃত "ক্ষমাহীন" ব্যর্থতা ১৮ মাসের অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকারের সময়ে—যারা চলমান সেক্টর প্রোগ্রাম বাতিল করে, গ্যাভির অনুমোদিত তহবিল উপেক্ষা করে, এবং টিকা বেসরকারিকরণের চেষ্টা চালায়। তাই দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
তথ্যসূত্র (15)
BBC — Measles: Why Bangladesh is seeing a deadly spike in cases
bbc.com
Bangladesh conducts special measles vaccination campaigns every four years. There have been no special measles vaccination campaigns since 2020, first because of Covid then because of the political situation.
The Guardian — Bangladesh launches measles vaccination drive
theguardian.com
Political turmoil of Bangladesh over the past two years, after the toppling of prime minister Sheikh Hasina in an uprising in 2024, had led to disrupted vaccine procurement.
Gavi — Bangladesh PM launches country's largest ever measles-rubella campaign (2014)
gavi.org
Dhaka, 27 January 2014 - Bangladesh Prime Minister Sheikh Hasina yesterday launched a major vaccination campaign against measles and rubella. Expected to reach approximately 52 million children.
The Daily Star — PM opens campaign (26 January 2014)
thedailystar.net
Prime Minister Sheikh Hasina yesterday said her government is pledge bound to bring down the infant and maternal mortality rate substantially as well as to eliminate measles and control rubella.
PMC PubMed — Evaluation of impact of measles-rubella campaign on vaccination coverage
pmc.ncbi.nlm.nih.gov
The campaign was conducted nationally and, to date, is the largest MR campaign conducted globally. 90% of children received MR vaccine during the 2014 campaign in post-campaign survey.
WHO Bangladesh — Achieving measles and rubella elimination
who.int
Bangladesh introduced rubella vaccine as MR vaccine in 2012. Rubella control goal was achieved in 2018 and has developed elimination strategy action plan.
WHO Bangladesh — MR campaign for 315,000 Rohingya refugees (January 2020)
who.int
Measles and rubella vaccination campaign launched to protect 315,000 Rohingya refugees in Cox's Bazar.
WHO Immunization Data — Bangladesh coverage trendline
immunizationdata.who.int
Routine MR1 coverage: 2015 92%, 2019 88.6%, 2023 86.1%. MR2 coverage: 2015 81%, 2019 89%, 2023 80.7%.
Bangla Mirror — Dr Lelin Chowdhury: 98% routine immunisation coverage before interim govt
banglamirrornews.com
Nearly 98 per cent of children were previously covered under routine immunisation. Procurement failures during the interim government's tenure have left a generation of children vulnerable.
The Daily Star — PM Tarique orders probe: June 2024 campaign postponed due to political unrest
thedailystar.net
Regular vaccine drives have been ongoing, only the special campaign drive which was scheduled for June 2024 had to be postponed due to political unrest.
AFP Fact Check — Measles drive due in 2024 was delayed
factcheck.afp.com
Bangladesh had made significant advancements in inoculating the population, a measles drive due in 2024 was delayed by the deadly uprising.
Bangla Mirror — Yunus interim govt scrapped sector programme March 2025
banglamirrornews.com
The interim government scrapped the existing sector programme—which had been jointly funded by the government and international partners—without adequate preparation. After the programme was discontinued in March 2025, no alternative external funding was sought. Q1 2026: only 27.45% of required MR vaccine supply was met, leaving more than 72% of demand unmet.
Daily Sun — Measles deaths blamed on vaccine shortages under Yunus-led interim govt
daily-sun.com
Sources say the interim government scrapped the existing sector programme without securing alternatives.
TBS — Travel ban sought on Yunus, all advisers for alleged measles vaccination policy shift
tbsnews.net
A legal notice has sought a travel ban on former chief adviser Muhammad Yunus and other advisers of the interim government over their alleged role in what it termed an 'unlawful and malicious' initiative to transfer the measles vaccination system from government control to the private sector.
NBC News — Bangladesh conducts emergency measles vaccinations
nbcnews.com
Previous government of Sheikh Hasina and an interim government headed by Muhammad Yunus failed to make proper decisions regarding vaccine stockpiles.
এই তথ্য যাচাই FactCheckerLab দ্বারা তৈরি। আমাদের পদ্ধতি পড়ুন. সংশোধন জানান.
